আজ || সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
  শ্যামনগর স্বাস্থ্যসেবায় জেলার সেরা       রাতে ঘুরে ঘুরে কম্বল বিতরণ করলেন শ্যামনগরের ইউএনও       শ্যামনগরে উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত       শ্যামনগরে ২০টি কদবেল গাছ কেটে অবৈধভাবে জমি দখলের অভিযোগ       রামজীবনপুর আল-মদিনা কমপ্লেক্স নূরানী বিভাগের  বিদায়ী সংবর্ধনা       শ্যামনগরে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে বসতবাড়িতে আগুনের ঘটনায় থানায় মামলা       শ্যামনগরে সাংবাদিকদের সঙ্গে বিএনপি নেতা ড. মনিরুজ্জামানের মতবিনিময়       শ্যামনগরে দৈনিক দেশ জনতার প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন       রমজাননগরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামীর মতবিনিময় সভা       শ্যামনগরে ইসলামী আন্দোলনের নেতার উপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন    
 


রাতে ঘুরে ঘুরে কম্বল বিতরণ করলেন শ্যামনগরের ইউএনও

আবু কওছার, শ্যামনগর (সাতক্ষীরা)॥

সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন অংশের হতদরিদ্র ও নিম্মআয়ের মানুষের মধ্যে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামছুজ্জাহান কনক গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে এসব কম্বল বিতরণ করেন। এসময় তার সাথে উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) রাশেদ হোসাইন ছাড়াও শ্যামনগর থানার অসিার ইনচার্জ মোঃ খালেদুর রহমান, কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হুদা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিয়ারাজ হোসেন খান উপস্থিত ছিলেন।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দপ্তর সুত্র জানায় কয়েকদিন ধরে শীত জেঁকে বসেছে। ফলে উপজেলার অসহায় দরিদ্র নিম্মআয়ের মানুষের মাঝে সরকারি উদ্যোগে এসব কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে বুধবার ও বৃহস্পতিবার রাতে ঈশ^রীপুরের ক্লিনিক মোড় এলাকার খৃস্টান মিশনারিজ চার্চসহ নুরনগরের হাবিবপুর আহম্মদিয়া এতিমখানা ছাড়াও রামজীবনপুর এলাকার মা খাদিজাতুল কোবরা মহিলা মাদ্রসায় শতাধিক কম্বল বিতরণ করা হয়। এছাড়াও উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের ঋষিপাড়া, উত্তর কদমতলা, ঈশ^রীপুরের আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাসরত জনগোষ্ঠীসহ বংশীপুরের পাশাপপাশি আরও কয়েকটি স্থানে মানুষের বাড়ি বাড়ি যেয়ে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল উঠিয়ে দেয়া হয়। এছাড়া রাস্তা ও পথিমধ্যে শীতার্ত মানুরষর শরীরেও কম্বল চড়িয়ে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ তার সাথে থাকা প্রশাসনের ব্যক্তিবর্গ।

কম্বল পেয়ে আপ্লুত কদমতলা গ্রামের মনোয়ারা বেগম ও হাবিবপুর মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ নুরুল ইসলাম জানান জনপ্রতিনিধি থাকতে তারা কখনো কম্বল পেয়েছেন বলে মনে করতে পারছেন না। তবে সরাসরি সরকারি কর্মকর্তারা অসহায় মানুষের কাছে পৌছে যাওয়ায় ভাগ্যের জোরে তারা শীতে কম্বল পেলেন। #

 


Top