আজ || বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
  শ্যামনগর স্বাস্থ্যসেবায় জেলার সেরা       রাতে ঘুরে ঘুরে কম্বল বিতরণ করলেন শ্যামনগরের ইউএনও       শ্যামনগরে উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত       শ্যামনগরে ২০টি কদবেল গাছ কেটে অবৈধভাবে জমি দখলের অভিযোগ       রামজীবনপুর আল-মদিনা কমপ্লেক্স নূরানী বিভাগের  বিদায়ী সংবর্ধনা       শ্যামনগরে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে বসতবাড়িতে আগুনের ঘটনায় থানায় মামলা       শ্যামনগরে সাংবাদিকদের সঙ্গে বিএনপি নেতা ড. মনিরুজ্জামানের মতবিনিময়       শ্যামনগরে দৈনিক দেশ জনতার প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন       রমজাননগরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামীর মতবিনিময় সভা       শ্যামনগরে ইসলামী আন্দোলনের নেতার উপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন    
 


শ্যামনগর আমার ভালোবাসার গ্রাম।

আমি এবিএম কাইয়ুম রাজ। শ্যামনগর আমার জন্মভূমি, আমার শেকড়। ছোটবেলা থেকে এখানকার প্রকৃতি, মানুষ আর সংস্কৃতির সঙ্গে বড় হয়েছি। শ্যামনগরকে আমি শুধু একটা জায়গা হিসেবে দেখি না, এটা আমার অস্তিত্বের একটা অংশ।

 

আমাদের গ্রামটা সুন্দরবনের খুব কাছে। চারপাশে খাল-বিল, নদী আর সবুজ মাঠের সৌন্দর্য যে কাউকে মুগ্ধ করবে। সকালে ঘুম ভাঙে পাখির ডাকে, আর সন্ধ্যায় নদীর বাতাস মনে এক অদ্ভুত শান্তি এনে দেয়। শীতের সকালে খেজুরের রস আর পিঠার স্বাদ যেন শ্যামনগরের নিজস্ব পরিচয়।

 

আমার চাচাতো ভাই ইউনুস আমার ছোটবেলার সঙ্গী। আমরা দুজন প্রায়ই বিকেলে নদীর পাড়ে হাঁটতে বের হতাম, কখনোবা গাছের ছায়ায় বসে গল্প করতাম। চায়ের দোকানে বসে গ্রামের মানুষের নানা আলাপ শুনতে ভালো লাগত। রাজনীতি, জীবনযাত্রা, কৃষিকাজ সবকিছু নিয়েই এখানে আলোচনা চলে।

 

শ্যামনগরের মানুষ পরিশ্রমী। কৃষকরা মাঠে ফসল ফলায়, জেলেরা নদীতে মাছ ধরে, আর দিনশেষে সবাই একসাথে চায়ের দোকানে জড়ো হয়। তবে এই গ্রামে সংগ্রামও কম নয়। লবণাক্ততা, নদীভাঙন আর প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে প্রতিনিয়ত লড়াই করতে হয় আমাদের। তবু এখানকার মানুষ হাসিমুখে জীবন কাটায়।

 

আমি সাংবাদিকতার পথে হাঁটছি, শ্যামনগরের গল্পগুলো তুলে ধরছি। এখানকার প্রকৃতি, মানুষের জীবনযাত্রা, সুখ-দুঃখ সবকিছু আমি শব্দের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে চাই। শ্যামনগর আমার ভালোবাসার জায়গা, আর এই ভালোবাসা কখনো কমবে না।


Top