আজ || বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
  শ্যামনগর স্বাস্থ্যসেবায় জেলার সেরা       রাতে ঘুরে ঘুরে কম্বল বিতরণ করলেন শ্যামনগরের ইউএনও       শ্যামনগরে উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত       শ্যামনগরে ২০টি কদবেল গাছ কেটে অবৈধভাবে জমি দখলের অভিযোগ       রামজীবনপুর আল-মদিনা কমপ্লেক্স নূরানী বিভাগের  বিদায়ী সংবর্ধনা       শ্যামনগরে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে বসতবাড়িতে আগুনের ঘটনায় থানায় মামলা       শ্যামনগরে সাংবাদিকদের সঙ্গে বিএনপি নেতা ড. মনিরুজ্জামানের মতবিনিময়       শ্যামনগরে দৈনিক দেশ জনতার প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন       রমজাননগরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামীর মতবিনিময় সভা       শ্যামনগরে ইসলামী আন্দোলনের নেতার উপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন    
 


শ্যামনগরের গাবুরার মেঘা প্রকল্প ও বংশিপুর শাহী মসজিদ পরিদর্শনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

আশিকুর রহমান: সাতক্ষীরার শ্যামনগরের গাবুরা ইউনিয়নে মেঘা প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশিদ। ৩১ জানুয়ারি (শুক্রবার) বিকেল ৪টায় গাবুরার জেলেখালীতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের টেকসই বেড়িবাঁধ প্রকল্প পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, “টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মিত হলে গাবুরাবাসী নদী ভাঙনের ভয় থেকে মুক্তি পাবে এবং বিধিসম্মতভাবে মেঘা প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হবে।”

পরিদর্শনকালে গাবুরা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জি. এম. মাছুদুল আলম জানান, “সুপেয় নিরাপদ খাবার পানির সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে জনগণ উপকৃত হবে।”

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন—পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রশাসন অধিশাখার যুগ্মসচিব মোহাম্মাদ হাবিবুর রহমান, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. ফিরোজ সরকার, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল হক (পিপিএম), পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী বিদ্যুৎ কুমার সাহা, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সালাউদ্দিন, শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. রনী খাতুন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল রিফাত, পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. ইমরান সরদার, গাবুরা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জি. এম. মাছুদুল আলম প্রমুখ।

এর আগে বেলা ১টায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশিদ শ্যামনগরের বংশিপুর শাহী মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন। নামাজের পূর্বে মুসল্লিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমাদের সবার বিবেক আছে, কেউ এটিকে ভালো কাজে লাগাই, কেউ খারাপ কাজে। আমাদের উচিত বিবেককে সৎ পথে পরিচালিত করা। এটি আমার নিজের এলাকা—এখানে কেউ আমার ভাই, কেউ চাচা, কেউ বাবা। তাই সবাইকে মিলেমিশে থাকার চেষ্টা করতে হবে।”

গাবুরা পরিদর্শন শেষে তিনি সুন্দরবনের গভীরে দোবেকি ফাঁড়ি পরিদর্শনে যান এবং রাতে আকাশলীনা ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্রে অবস্থান করেন।


Top