আজ || শনিবার, ২৭ Jun ২০২৬
শিরোনাম :
  আটুলিয়ায় কাবিটা প্রকল্পের আওতায় সড়ক উন্নয়নকাজের উদ্বোধন       আটুলিয়ায় আলিম পরীক্ষার্থীদের দোয়া অনুষ্ঠান        শ্যামনগরে প্রতিবন্ধিতা অন্তর্ভুক্তিমূলক দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভা       আটুলিয়ায় জামায়াতের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত       শ্যামনগরে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস-২০২৬ অনুষ্ঠিত       নওয়াবেঁকী খোলপেটুয়া নদীতে ব্যতিক্রমধর্মী ট্রলার বাইচ অনুষ্ঠিত       শ্যামনগরে ঘেরে কাজ করার সময় বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু       লবণ পানি উত্তোলন বন্ধ ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে শ্যামনগরে মানববন্ধন       কাতারে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন চাপাইনবয়াবগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নের সন্তান মো: শ্যামল ইসলাম।        লিডার্সের উদ্যোগে শ্যামনগরে লবণাক্ততা সহনশীল ব্রি-ধান ৯৯ কর্তন ও কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।    
 


লিডার্সের উদ্যোগে শ্যামনগরে লবণাক্ততা সহনশীল ব্রি-ধান ৯৯ কর্তন ও কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।

আবু সুফিয়ান ( ফয়সাল) উপকূলীয় অঞ্চল প্রতিনিধি।

উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষিতে লবণাক্ততার বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় কৃষকদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর চাষাবাদ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা লিডার্স-এর উদ্যোগে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের ০৯ নম্বর সোরা গ্রামে লবণাক্ততা সহনশীল ব্রি-ধান ৯৯ কর্তন ও কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় কৃষক, কৃষি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে মাঠ দিবসটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। দিনব্যাপী এ আয়োজনে কৃষকদের মাঝে ব্রি-ধান ৯৯ এর উৎপাদনশীলতা, লবণাক্ততা সহনশীলতা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এর গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার মোহাঃ মনজুর হোসেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহাঃ আফতাবুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন এ্যাডভোকেট মোঃ সোলাইমান হোসেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহাঃ আফতাবুজ্জামান বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে দিন দিন লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকরা ধান চাষে নানা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে ব্রি উদ্ভাবিত লবণাক্ততা সহনশীল ব্রি-ধান ৯৯ কৃষকদের জন্য আশার আলো হয়ে উঠতে পারে। তিনি কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি গ্রহণ ও অধিক ফলনশীল জাতের ধান চাষে আগ্রহী হওয়ার আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে মোহাঃ মনজুর হোসেন বলেন, উপকূল অঞ্চলের কৃষকদের টিকে থাকতে হলে জলবায়ু সহনশীল ফসলের চাষ বৃদ্ধি করতে হবে। ব্রি-ধান ৯৯ এর মতো জাত কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে লাভবান করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিশেষ অতিথি এ্যাডভোকেট মোঃ সোলাইমান হোসেন বলেন, কৃষি ও কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। তাই কৃষকদের পাশে থেকে তাদের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে মাঠ পর্যায়ে ব্রি-ধান ৯৯ কর্তনের মাধ্যমে কৃষকদের হাতে-কলমে ফলন পরিদর্শনের সুযোগ করে দেওয়া হয়। কৃষকরা জানান, এ জাতের ধান লবণাক্ত পরিবেশেও তুলনামূলক ভালো ফলন দিয়েছে, যা ভবিষ্যতে তাদের চাষাবাদে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অনুপ কুমার মন্ডল এবং সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন সীমা রানী মন্ডল। মাঠ দিবস শেষে উপস্থিত কৃষকদের মাঝে বিভিন্ন পরামর্শ ও কৃষি বিষয়ক তথ্য প্রদান করা হয়।কর্মসূচির সার্বিক সহযোগিতায় ছিল GAIN⁠ এবং বাস্তবায়নে ছিল LEDARS⁠।


Top