আজ || রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬
শিরোনাম :
  শ্যামনগরে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস-২০২৬ অনুষ্ঠিত       নওয়াবেঁকী খোলপেটুয়া নদীতে ব্যতিক্রমধর্মী ট্রলার বাইচ অনুষ্ঠিত       শ্যামনগরে ঘেরে কাজ করার সময় বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু       লবণ পানি উত্তোলন বন্ধ ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে শ্যামনগরে মানববন্ধন       কাতারে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন চাপাইনবয়াবগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নের সন্তান মো: শ্যামল ইসলাম।        লিডার্সের উদ্যোগে শ্যামনগরে লবণাক্ততা সহনশীল ব্রি-ধান ৯৯ কর্তন ও কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।       লবণাক্ততা সহিষ্ণু ব্রি ধান-৯৯ কর্তন উপলক্ষে কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত।       শ্যামনগরে জিংক সমৃদ্ধ ধান ব্রি-১০২ কর্তন উপলক্ষে কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত       শ্যামনগরে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত: সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতার দাবি       শ্যামনগরে ‘ক্লাইমেট-স্মার্ট এগ্রিকালচার’ বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত    
 


নওয়াবেঁকী খোলপেটুয়া নদীতে ব্যতিক্রমধর্মী ট্রলার বাইচ অনুষ্ঠিত

আল আমিন হোসেন, আটুলিয়া প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নওয়াবেঁকী খোলপেটুয়া নদীতে ট্রলার বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) নওয়াবেঁকী বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির উদ্যোগে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

নদীর ঢেউ, মাঝিদের ছন্দময় অংশগ্রহণ এবং হাজারো দর্শকের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।  নদীর দুই তীরে বিভিন্ন বয়সী মানুষের সমাগম ঘটে। উৎসুক দর্শকদের উপস্থিতিতে সৃষ্টি হয় এক প্রাণবন্ত ও আনন্দঘন পরিবেশ।

প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ট্রলারগুলো একযোগে নদীপথে ছুটে চললে নদীর বুকজুড়ে দেখা যায় মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। মাঝিদের সমবেত কণ্ঠ ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় এগিয়ে চলা ট্রলারগুলো দর্শকদের মুগ্ধ করে। প্রতিটি দল বিজয়ের লক্ষ্যে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালালে নদীর চারপাশে করতালি ও উল্লাসধ্বনি ছড়িয়ে পড়ে।

প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আটুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সালেহ বাবু। বিশেষ অতিথি ছিলেন মাওলানা মঈনুদ্দিন মাহমুদ, মাওলানা মাহবুবুর রহমান, মাওলানা ড. একরামুল কবির, সৈয়দ কামাল উদ্দীন ও মনিরুজ্জামান মনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রভাষক মাওলানা আব্দুল হামিদ।

আলোচকরা বলেন, ট্রলার বাইচ কেবল একটি প্রতিযোগিতা নয়; এটি বাংলার লোকজ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ ধরনের আয়োজন গ্রামীণ জনপদের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে।

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী দলের সদস্যদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এ সময় আয়োজকরা জানান, নতুন প্রজন্মের কাছে গ্রামীণ ঐতিহ্য ও লোকজ সংস্কৃতির পরিচয় তুলে ধরতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখা হবে।

স্থানীয়দের মতে, নদীর বুকে ট্রলারের ছন্দ আর মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আয়োজিত এ ট্রলার বাইচ গ্রামীণ বাংলার ঐতিহ্যকে নতুন করে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। আধুনিকতার ছোঁয়ার মধ্যেও লোকজ সংস্কৃতির প্রতি মানুষের আগ্রহ ও ভালোবাসা যে এখনও অটুট, এ আয়োজন তারই প্রমাণ।


Top