আজ || শনিবার, ২০ Jun ২০২৬
শিরোনাম :
  শ্যামনগরে প্রতিবন্ধিতা অন্তর্ভুক্তিমূলক দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভা       আটুলিয়ায় জামায়াতের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত       শ্যামনগরে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস-২০২৬ অনুষ্ঠিত       নওয়াবেঁকী খোলপেটুয়া নদীতে ব্যতিক্রমধর্মী ট্রলার বাইচ অনুষ্ঠিত       শ্যামনগরে ঘেরে কাজ করার সময় বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু       লবণ পানি উত্তোলন বন্ধ ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে শ্যামনগরে মানববন্ধন       কাতারে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন চাপাইনবয়াবগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নের সন্তান মো: শ্যামল ইসলাম।        লিডার্সের উদ্যোগে শ্যামনগরে লবণাক্ততা সহনশীল ব্রি-ধান ৯৯ কর্তন ও কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।       লবণাক্ততা সহিষ্ণু ব্রি ধান-৯৯ কর্তন উপলক্ষে কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত।       শ্যামনগরে জিংক সমৃদ্ধ ধান ব্রি-১০২ কর্তন উপলক্ষে কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত    
 


শাহজাদপুরে মসজিদের সাধারণ সম্পাদকের কাছে ছাত্রলীগ নেতার চাঁদা দাবির অভিযোগ।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ছয়আনীপাড়া ভূমি অফিস জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদকের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা ছাত্রলীগের এক নেতার বিরুদ্ধে।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) জুমার নামাজ শেষে শাহজাদপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নাহিন খান এবং তার সহযোগী বাধন খান মসজিদের সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল ইসলাম কাউসারের কাছে চাঁদা দাবি করেন। তারা নামাজে আসা মুসল্লিদের দেওয়া অনুদান এবং ভূমি অফিসের রেজিস্ট্রিকৃত খাতা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত ৪০ বছর ধরে নাহিন খানের পিতা মো. ফারুক খান মসজিদের অঘোষিত হিসাবরক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এই সময়ে মসজিদ উন্নয়নের নামে বিভিন্ন স্থান থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হলেও তার কোনো সুনির্দিষ্ট হিসাব মুসল্লিদের দেওয়া হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, দান বাক্সের টাকা ও অন্যান্য অনুদানের অর্থ ফারুক খান আত্মসাৎ করেছেন।

 

বর্তমানে মসজিদটি ওয়াকফ স্টেট হিসেবে নিবন্ধিত হওয়ায় এর তত্ত্বাবধানে রয়েছে উপজেলা ভূমি অফিস। সহকারী কমিশনার (ভূমি) মসজিদ কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং ২৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি মসজিদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এই কমিটির তত্ত্বাবধানে মসজিদের অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে মসজিদের ছাদ ঢালাই, এসি স্থাপন,পানির সাবমারসিবল স্থাপন, টাইলসের কাজ, এবং আধুনিক সাউন্ড সিস্টেমের সংযোজন।

 

অভিযোগ রয়েছে, মসজিদের এই উন্নয়ন কার্যক্রম দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে নাহিন খান ও তার সমর্থকরা। তারা মসজিদের দানকৃত অর্থ ও দায়িত্ব নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

 

এ বিষয়ে এলাকাবাসী প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এবং মসজিদের কার্যক্রমে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি ও রাজনৈতিক প্রভাব যাতে না পড়ে, সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

 

মুসল্লিরা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন, মসজিদের অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলোতে যেন কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব না পড়ে এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পবিত্রতা বজায় রাখা হয়।

 

এদিকে, এ ঘটনা স্থানীয়ভাবে তুমুল আলোচনা এবং বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবিতে এলাকাবাসী আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।


Top