আজ || বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬
শিরোনাম :
  নওয়াবেঁকী মাদ্রাসায় ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত       “আমাদের ধৈর্যকে দুর্বলতা ভাববেন না, আমরা শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সহাবস্থান চাই”- জেলা জামায়াত সেক্রেটারি       উপকূলের পরিবেশ পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ উদ্যোগের শুভ উদ্বোধন       গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে নওয়াবেঁকীতে জামায়াতের মিছিল-সমাবেশ       স্কুল শিক্ষক মাসুদ রানার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ       মানবিক সেবায় উপকূলবাসীর আস্থার প্রতীক এস এম শাকির হোসেন       শ্যামনগরে সাংবাদিকদের সাথে নবাগত ওসির মতবিনিময় সভা       শ্যামনগরে নদীর চর দখল করে মৎস্যঘের নির্মাণের অভিযোগ, নষ্ট হচ্ছে সামাজিক বনায়ন       আটুলিয়ায় কাবিটা প্রকল্পের আওতায় সড়ক উন্নয়নকাজের উদ্বোধন       শ্যামনগরে ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ    
 


শ্যামনগরে ২০টি কদবেল গাছ কেটে অবৈধভাবে জমি দখলের অভিযোগ

নিজস্ব সংবাদদাতা:

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়নের বড়কুপট গ্রামে জোরপূর্বক জমি দখল, গাছ কেটে ক্ষতি সাধন ও ইটভাটার ইট আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বড়কুপট গ্রামের মৃত রাশেদ আলী সরদারের পুত্র মো. কামরুজ্জামান (৭০) সাতক্ষীরার বিজ্ঞ আমলি আদালত-০৫ এ সি.আর মামলা নং ১০৩৬/২৫ দায়ের করেছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ২৮ নভেম্বর (শুক্রবার) বড়কুপট গ্রামের কামরুল ইসলাম গাজীর পুত্র মো. হাসান মাহমুদ (রনি) ও হোসেন মাহমুদ (জনি)সহ অজ্ঞাত আরও ৬-৭ জন কামরুজ্জামানের কোবলা সূত্রে ভোগদখলীয় ১৭ শতক জমি অবৈধভাবে দখল করে।

ওই জমিতে কামরুজ্জামান ‘জামান ট্রেডিং ব্রিকস’ নামের ইটভাটা স্থাপন করে দ্বিতীয় তলা ভবন নির্মাণ, ইট প্রস্তুত ও শ্রমিক নিয়োগসহ নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন।

অভিযোগ রয়েছে, রনি–জনি ও তাদের সহযোগীরা ইটভাটায় অনধিকার প্রবেশ করে প্রায় ১ লাখ ইট (বাজার মূল্য প্রায় ১০ লাখ টাকা) আত্মসাৎ করে। এছাড়া জমির দক্ষিণ সীমানায় থাকা ২০টি কদবেল গাছ কেটে গুরুতর ক্ষতি সাধন করা হয়।

এসময় তারা বাধা দিতে গেলে বাদী কামরুজ্জামান ও তার স্বাক্ষীদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, বিবাদীরা কোনো দালিলিক স্বত্ব বা দখল না থাকা সত্ত্বেও গুণ্ডাবাহিনীর সহায়তায় দীর্ঘদিনের ভোগদখলীয় জমি জবরদখল করে। বাদীর মালিকানাসংক্রান্ত দলিলসমূহ—২০০৩ থেকে ২০১৮ সালের বিভিন্ন তারিখে শ্যামনগর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ৩২৪, ৩৭৩৫, ৬৬৫ ও ৩৬৬৪ নং রেজিস্ট্রি কোবলা—মোট ৩.৫৭ একর জমির ভিত্তিতে মালিকানা দাবি করা হয়েছে। তার মধ্যে ১৭ শতক জমি নিয়ে বর্তমান বিরোধ দেখা দেয়।

এ ঘটনায় যেকোনো মুহূর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের শঙ্কা রয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করেন বাদী। জমি দখল, হুমকি-ধামকি ও ধারাবাহিক হয়রানিতে তিনি ও তার ইটভাটার শ্রমিকরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

কামরুজ্জামান তার জমি ফেরত পাওয়া এবং শান্তিপূর্ণ ভোগদখল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


Top